Home / ধর্ম / কোন ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না

কোন ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না

আমাদের নবী (সা) একটি হাদিসে বলেছেন, যে ঘরে কুকুর এবং ছবি থাকে সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। [মুসলিম ২/২০০] এই হাদিসের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, যেখানে ছবি থাকে সেটা দোকান হোক, ঘর হোক, অফিস হোক কিংবা অন্য কোন জায়গা হোক সেখানে যারই ছবি থাক না কেন ফেরেশতা সেখানে প্রবেশ করবে না। অনেক পরিবারে রোগ ব্যধি লেগেই থাকে এই রোগ ব্যধির পিছনে এটা একটা করণ হতে পারে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ধরণের গুনাহের কাজ থেকে বেচে থাকার তাওফিক দান করুণ

জুমআর দিন মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের জন্য অনন্য মর্যাদার দিন। ইয়াহুদিরা তাদের ইবাদতের জন্য শনিবার আর নাসারারা রোববারকে মনোনীত করেছে। আর জুমআর দিনকে আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর জন্য দান করেছেন। এ তথ্য সহিহ হাদিস সূত্রে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহকে আল্লাহ্ তাআলা জুমআর দিনের সন্ধান দেননি।

ইয়াহুদিরা বেছে নিয়েছে শনিবারকে, নাসারাগণ পেয়েছে রোববার। আর আল্লাহ্ তাআলা আমাদেরকে (উম্মতে মুহাম্মাদিকে) জুমআর দিনের সন্ধান দেয়া হয়েছে। তাছাড়া শনি এবং রোববার সপ্তাহের দিন হিসেবে যেহেতু শেষে পরকালেও তারা মুসলিম উম্মাহর পেছনে থাকবে। উম্মতে মুহাম্মাদি দুনিয়াতে এসেছে সবার পরে আর পরকালে উম্মতে মুহাম্মাদি থাকবে সবার আগে। আর সবার আগে এ উম্মতের ফয়সালা হয়ে যাবে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমআর দিন সম্পর্কে উম্মতের উদ্দেশ্যে নসিহত করেন। যাতে তারা গুরুত্বসহ জুমআর দিনের ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করে। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘সমস্ত দিনের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে জুমআর দিন। এই দিনে আদম (আলাইহিস সালাম)কে সৃষ্টি করা হয়েছে।

এ দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে; এ দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। জুমআর দিনেই কেয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবে। (তিরমিজি) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যত্র বলেন, ‘সমস্ত দিনগুলোর মধ্যে জুমআর দিনই হচ্ছে সর্বোত্তম দিন। এ দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনেই তাঁকে দুনিয়ায় নামিয়ে দেয়া হয়েছে, এ দিনেই তাঁর তাওবা কবুল করা হয়েছে, এ দিনেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন এবং এ দিনেই কেয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবে। প্রিয়নবি আরা বলেন, ‘জুমআর দিন সূর্য উদয় হওয়ার পর (দুনিয়ায়) মানুষ এবং জিন ব্যতিত প্রত্যেক প্রাণীই কেয়ামতের ভয়ে আতংকিত থাকে জুমআর দিনে এমন একটি বরকতময় সময় আছে, যাতে মুসলিম বান্দা নামাজরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে যা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ্ তাকে তা দান করবেন বলেছেন প্রিয়নবি। জুমআর দিনের বরকতময় বিশেষ সময়ের কথা সম্পর্কে কা’ব বিন মালিক এ হাদিসের রাবি হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটি কি প্রত্যেক বছরে হয়ে থাকে?

হজরত আবু হুরায়রা বললেন, বরং প্রত্যেক জুমআতেই তা রয়েছে। অতঃপর কা’ব তাওরাত (কিতাব) খুলে পাঠ করলেন এবং বললেন, আল্লাহর রাসুল সত্য বলেছেন। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অতঃপর আমি হজরত আব্দুল্লাহ বিন সালামের সাথে সাক্ষাৎ করে কা’বের সঙ্গে আমার বৈঠকের কথা জানালাম। তিনি বললেন, আমি সেই সময়টি সম্পর্কেও অবগত আছি। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি তাকে বললাম, আমাকে সেই সময়টি সম্পর্কে সংবাদ দিন। তিনি বললেন, এটি হচ্ছে জুমআর দিনের শেষ মুহূর্ত।

About myadmin

Check Also

আমাদের শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে রোজা

আজ বুধবার দেশের কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী শুক্রবার থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। আজ …