Home / জাতীয় / বাজারে এসেছে ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভের ভার্সন-থ্রি

বাজারে এসেছে ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভের ভার্সন-থ্রি

দেশে তরুণদের জনপ্রিয় স্পোর্টস বাইক ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ। এতদিন বাজারে মিলতো এই বাইকটির ভার্সন-টু। সোমবার (১৪ মে) থেকে এর ভার্সন-থ্রি পাওয়া যাচ্ছে।









সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের এসিআই সেন্টারে ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভের ভার্সন থ্রি অবমুক্ত করা হয়। এসময় উপস্থিত থাকবেন ইয়ামাহা বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ। এছাড়াও এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ. এইচ আনসারি ও এসিআই মোটরসের নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাশও উপস্থিত ছিলেন।

নতুন সংস্করণে পূর্বের সবকিছুকেই আরও প্রযুক্তি নির্ভর ও স্টাইলিশ করে গড়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে বাইকটির নকশা, ইঞ্জিনের ক্ষমতা এবং ডিসপ্লেসহ ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল সব যন্ত্রাংশই চালকের সুবিধা, দ্রুত গতি ও নিয়ন্ত্রণের কথা মাথায় রেখে নিখুঁত করা হয়েছে। বাইকটির মূল্য ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।









আর ওয়ান ফাইভের প্রথম সংস্করণই সারা বিশ্বের বাইকারদের মধ্যেই ছিল তুমুল জনপ্রিয়। এর পেছনে শুধু বাইকটির দুর্দান্ত গতি কিংবা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নয় বরং স্টাইলের ভূমিকা রয়েছে।

ইয়ামাহার স্পোর্টস বাইকগুলোর কোনটাই ১৫০ সিসির বাইক নয়, বরং ৩০০, ৬০০ কিংবা ১০০০ সিসির। কিন্তু ২০০৮ সালে ১৫০ সিসি সেগমেন্টে সুপার স্পোর্টস বাইক আদলে আর ওয়ান ফাইভ এর প্রথম সংস্করণ বের করে যে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ইয়ামাহা সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে।









তবে, ইয়ামাহার এ বাইকটি দেখে বাইক প্রেমীরা আরও মুগ্ধ হবেন। এতে থাকছে ১৫৫ সিসির ১৯.০৪ বিএইচপি ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াটার কুলড ইঞ্জিন। চেসিস আগের মতই ডেলটা বক্স (টুইন স্পার) ফ্রেমে তৈরি হলেও ডিজাইন করা হয়েছে আর ১২৫ ও আর ৬ এর মিশ্রণে। সামনের ডাবল এলইডি হেডলাইটের মধ্যে থাকছে ইঞ্জিনের বাতাস শোষণের (এয়ার ইনটেক) পথ।









তিনজন আরোহী যাতে দীর্ঘ সময় কোন প্রকার শারীরিক অসুবিধা ছাড়াই বাইকটি চড়তে পারেন সেই জন্য ফুয়েল ট্যাঙ্ক ও সিটের নকশায় পরিবর্তন করা হয়েছে। এলইডি টেইল লাইট ও এক্সহজট পাইপের নয়া নকশা বাইকটির দর্শনে এনে দিয়েছে আনকোরা আভিজাত্য।









বাইকটির ১৫৫ সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন ১৪.৭ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম হবে যেটা কিনা ৬-স্পিড গিয়ার বক্সের সাথে মিলিত হয়ে চালককে দেবে গতি এবং স্বস্তি দুটোই। বাইকটির ওজন ১৩৭ কেজি।

About myadmin

Check Also

সোনাই নদীতে ধরা পড়ল ৪ ফুট লম্বা বিশাল রাঘব চিতল!

বাড়ির পাশে সোনাই নদীতে মলা, পুঁটি, টাকি মাছের জন্য শনিবার বিকালে জাল ফেলেছিলেন জালাল আহমেদ। …