২১শে আগস্ট, ২০১৮ ইং, ৬ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১০ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী

বৃহস্পতিবার সারাদেশে শোক দিবস ঘোষনা

মার্চ ১৪, ২০১৮, সময় ৭:২৬ পূর্বাহ্ণ

নেপালের কাঠমুন্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার সারাদেশে একদিনের “শোক দিবস” ঘোষণা করা হয়েছে । এছাড়া শুক্রবার মসজিদ মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স-এর বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫১। এর মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালী এবং ১ জন চীনা নাগরিক। চিকিৎসাধীন যাত্রীদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের মধ্যে আছেন: শহীদ হোসেন, কবির হোসেন, শাহরীন আহমেদ, মো. শামীম, ড. ইজানা এবং নাম না জানা একজন।

গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, উড়োজাহাজে ক্রুসহ ৭১ জন ছিলেন। এর মধ্যে চার ক্রুসহ ৩৬ জন বাংলাদেশি ছিলেন। নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস ও আমাদের প্রতিনিধি খোঁজখবর নিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন ৩৬ জনের মধ্যে ২৮ জনই মারা গেছেন। উড়োজাহাজের ক্রুরা সবাই নিহত হয়েছেন। কামরুল ইসলাম বলেন, বাকি ১০ জন তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে নরডিক হসপাতালে ইয়াকুব আলী আর ওম হসপাতালে রেজওয়ানুল হক চিকিৎসাধীন।

কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি আটজন হলেন- শাহিন আহমেদ, শাহীন ব্যাপারী, মেহেদী হাসান, মিসেস ইমরানা কবির হাসি, সাইয়েদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, শেখ রাশেদ রুবায়েত, মিসেস আলিমুন্নাহার এ্যানি, মো. কবির হোসেন। ইউএস-বাংলার এই কর্মকর্তা বলেন, চিকিৎসাধীন একেকজনের অবস্থা একেক রকম। কারও ব্যাপারে আমরা এই মুহূর্তে কিছুই বলতে পারছি না। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে আমাদের খরচে। তাদের আত্মীয়-স্বজন সেখানে যতদিন থাকতে চান, আমরা তাদের থাকার ব্যয়ভার বহন করব। তিনি বলেন, মৃতদেহ খুব দ্রুতই ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ ফেরত আনা হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি কামরুল ইসলাম।