Home / Uncategorized / মুস্তাফিজের কাটার-রুবেলের বাটারফ্লইয়ের পরে এবার বোলিংয়ে নতুন চমক নিয়ে আসছে এই তরুণ টাইগার

মুস্তাফিজের কাটার-রুবেলের বাটারফ্লইয়ের পরে এবার বোলিংয়ে নতুন চমক নিয়ে আসছে এই তরুণ টাইগার

যুব দলে তার পরিচয়টা ছিল ব্যাটিং অল রাউন্ডার। কিন্তু জাতীয় দলের ডেরায় এসে হলেন পুরোদস্তুর বোলার। তবে ধীরে ধীরে ব্যাটিং ঝলক দেখাতে শুরু করেছেন তিনি। কিন্তু ধারাবাহিকতা অভাব। এমনকি বোলিংয়েও আজকাল। বাঁহাতি বোলারদের যতটা স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে বল করেন, ডানহাতি বোলারদের ক্ষেত্রে তার উল্টো।

কিন্তু পরিচয়টা যখন বোলারই হয়ে গেছে সেখানে সব ব্যাটসম্যানকেই সমান বোলিং করা চাই মেহেদী হাসান মিরাজের। এখন এ নিয়েই কাজ করছেন তিনি। তবে পাশাপাশি মনোযোগ দিচ্ছেন ব্যাটিংয়েও। সুযোগ পেলেই তা লুফে নেওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করছেন ২০ বছর বয়সী এ তরুণ।

নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে মাত্র ১ ওভার বোলিং করেছিলেন মিরাজ। পড়ে ডানহাতি ব্যাটসম্যান থাকায় তাকে আর ডাকেননি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অবশ্য ওই ১ ওভারেই খরুচে ছিলেন মিরাজ। তাই এবার ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে ভালো বল করার মন্ত্র খুঁজছেন মিরাজ। ‘আমাকে আরও উন্নতি করতে হবে।

ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের জন্য ডানহাতি স্পিনারদের খেলা সহজ হয়। বাঁহাতির জন্য ডানহাতি একটু কঠিন হয়। আমার কাছে মনে হয় এখানে আমার আরও উন্নতি করার জায়গা আছে। যেহেতু অনেক সুযোগ। ডানহাতিরা যাতে আমার উপর আগ্রাসী না হতে পারে, কিভাবে রান আটকাতে পারি…এটা নিয়ে কাজ করতে হবে। আশা করি এটা করতে পারবো-‘ রোববার মিরপুরে জানালেন আত্মপ্রকাশেই যে বোলার আলোড়ন তুলেছিলেন সেই মিরাজ।

মিরাজ না পারলেও নিদাহাস ট্রফিতে নিজেদের কাজটি করে দেখিয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর, আকিলা ধনাঞ্জয়ার মতো তরুণরা। তাই স্পৃহাটা মিরাজের একটু বেশিই। এ নিয়ে কঠিন পরিশ্রমই করবেন বলে জানালেন তিনি, ‘টি-টোয়েন্টিতে একজন বোলারের ইকোনোমি রেটটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইকোনোমি ভালো থাকলে ম্যাচ জেতা সহজ জয়।

আমার মনে হয় দুইটা ম্যাচ ছাড়া বাকি ম্যাচে আমার ইকোনোমি রেট ভালো ছিল। সুন্দর-আকিলা ওরা খুব ভালো বোলিং করেছে। আমি দেখেছি ওরা কোন লেংথে বোলিং করেছে। আমিও এগুলো নিয়ে চেষ্টা করবো, আমার স্কিলটা আরও উন্নত করার চেষ্টা করব। আমার উন্নতি করার অনেক জায়গা আছে। আমি ডানহাতি ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে কিভাবে ভালো বোলিং করতে পারি, সেগুলো নিয়ে কাজ করার আছে। আশা করি এটা ইনশা আল্লাহ করতে পারব।’

তবে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ব্যাট হাতে দারুণ সফল ছিলেন মিরাজ। খেলতেন ৪/৫ নম্বরে। ৫৬টি একদিনের ম্যাচ খেলে ২৯ গড়ে ১৩০৫ রান করেছেন তিনি, বাংলাদেশের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। সব মিলিয়ে নয় নম্বরে। নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে মাত্র ৭ বলে ১৯ রান তুলে নিজের সামর্থ্যের কিছুটা প্রমাণ রেখেছেন।

যাতে ছিল বিশাল একটি ছক্কাও। তবে আপাতত দলে অবদান রেখেই খুশি মিরাজ, ‘আমার চেয়ে অনেক ভালো ব্যাটসম্যান আছে দলে। যারা অনেকদিন বাংলাদেশ দলে খেলেছেন। সামনে অনেক সুযোগ আছে। একটা সময় আমরা যখন সিনিয়র হবো দায়িত্ব থাকবে। টিম কম্বিনেশনের জন্য যে জায়গায়ই খেলি আক্ষেপ নেই। আমার কাছে খুব ভালো লাগে। মজা লাগে যদি দলের জন্য ১০টা রান করেও অবদান রাখতে পারি

About admin

Check Also

রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া

রোজা বা সিয়াম ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল ভিত্তির তৃতীয়। সূর্য উদয় থেকে অস্ত পর্যন্ত সকল …