Home / লাইফস্টাইল / রাতে ঘুম না হলে যা করবেন পরদিন!

রাতে ঘুম না হলে যা করবেন পরদিন!

ইদানীং যে সমস্যাগুলোর কথা সবচাইতে বেশি শোনা যাছে, তার মধ্যে অন্যতম বড় সমস্যা হল অনিদ্রা। জীবন যত গতিশীল হচ্ছে ততই মানুষের ঘুম ততো কমে আসছে। তবে এর জন্য অনেকাংশেই দায়ী আমাদের স্মার্ট ফোন। কারও কারও আবার ইনসমনিয়ার সমস্যার কারণে ঘুম হয়না।
ঘুম না হওয়ার ফলে দেখা দ্যায় নানা জটিলতা। এর সবটুকু প্রভাব পড়ে পরের দিনের কাজের ওপরে। ঝিমুনি ভাব থাকে সারাদিন, ক্লান্তিতে চোখ বুজে আসে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। কিন্তু তবুও জেগে থাকতে হয়, কাজ করতে হয়। ঘুম কম হলেও সতেজ থাকার কিছু উপায় আছে।









জেনে নিন ঘুম কম হলে কী করবেন-









গরম-ঠাণ্ডা গোসল: ঘুম কম হলে শরীর ক্লান্ত লাগে। সকালে উঠেই একটু ভিন্ন পদ্ধতিতে গোসল সেরে নিতে পারেন। একবার গরম পানি এবং আরেকবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং ক্লান্তি কিংবা ঘুম ভাব অনেকটাই কমে যাবে। গোসল করার সময় না পেলে মুখে হিম শীতল পানির ঝাপটা দিন। এতেও ঘুম যাবে।









সূর্যের আলো গায়ে মাখুন: ঘুম কম হলে মুড অনেক সময়ে ঠিক থাকে না। এই সমস্যা কমতে পারে সূর্যের আলো গায়ে মাখলে। সূর্যের আলোয় ভিটামিন ডি থাকে যা ত্বকে পড়লে মুড ঠিক রাখতে সাহায্য করে।









চা-কফি বা এনার্জি ড্রিংক নয়: ঘুম কম হলেই সবার সাধারণ একটা অভ্যাস হলো অতিরিক্ত চা-কফি পান করা। অনেকে আবার বাড়তি শক্তি পেতে এনার্জি ড্রিংকও পান করেন। কিন্তু ঘুম কম হলে এধরণের পানীয় পান করলে সাময়িকভাবে তাজা লাগে ঠিকই, তবে এগুলোর অতিরিক্ত চিনির কারণে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হতে পারে।









সকালের নাস্তায় আইসক্রিম: সকালের নাস্তায় আইসক্রিম রাখুন। অবাক হচ্ছেন? ঘুম কম হলে আইসক্রিম মস্তিষ্ককে সজাগ করতে সহায়তা করে। এর ঠাণ্ডা তাপমাত্রার কারণে ক্লান্তি কমে যায় দ্রুত। তবে এটা যেন নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত না হয় সেই ব্যাপারেও সচেতন থাকতে হবে।









সকালের ব্যায়াম: খুব ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। খুব হালকা কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা ৩০ মিনিট হাঁটলেই রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। ফলে রাতে না ঘুমানোর ফলে সৃষ্ট ক্লান্তি ভাব কমে যাবে অনেকটাই।
খোলা আকাশের নিচে যান: রাতে ঘুম না হলে পরের দিন সবচাইতে বেশি কষ্ট হয় কর্মক্ষেত্রে। কাজ করতে বসলেই ঘুম পায়। ঘুম পেলে কিছুক্ষণের জন্য খোলা আকাশের নিচে বের হয়ে পড়ুন। দুপুরের খাবারটা বাইরে খেতে পারেন কিংবা ৫-১০ মিনিট বাইরে থেকে হাঁটাহাঁটি করে আসতে পারেন। এতে ঘুম চলে যাবে এবং সতেজ লাগবে।

ghum
কাজের তালিকা তৈরি: ঘুম না হলে অল্প কাজও অনেক বেশি মনে হয়। অনেক কাজ আছে এটা ভেবে কোনো কাজই হয় না। তাই কাজের পরিকল্পনা তৈরি করুন। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো তালিকার প্রথম দিকে রাখুন। এতে কাজ গুছিয়ে নেয়া অনেক সহজ হবে।
পাওয়ার ন্যাপ: লম্বা সময় ঘুমের প্রয়োজন নেই, দিনের মাঝামাঝি যে সময়টাতে ঘুম পায় তখন অল্প একটু ঘুমিয়ে নিন। ১০-২০ মিনিট ঘুমই যথেষ্ট। এই ধরনের ঘুমকে ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বলা হয়। অল্প সময়ের এই ঘুমে আপনি পুরো দিনের কাজের শক্তি ফিরে পাবেন।

About myadmin

Check Also

বিনা পয়সার যে খাবারটি আজীবন যৌবন ধরে রাখে ও নতুন চুল গজায়

সমস্যা সমাধান ও রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা কত কিনা করি। চিকিৎসা করতে গিয়ে বেশ ক্ষতি …