Home / এশিয়ার সেরা একাদশে তিন বাংলাদেশী তারকা

এশিয়ার সেরা একাদশে তিন বাংলাদেশী তারকা

এশিয়ার ক্রিকেট খেলা দেশের সংখ্যা মাত্র ৫টি। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্বে এই পাঁচ দলের অবস্থান বেশ শক্ত। ইংল্যান্ড,অস্ট্রেলিয়ার মত ক্রিকেট পরাশক্তিদের সাথে বেশ ভালোভাবেই লড়ে যাচ্ছে এশিয়ার দলগুলো। আর সে তালিকায় ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার সাথে রয়েছে বাংলাদেশের নামও।

এবার ২০১৫ বিশ্বকাপের পর এশিয়ার ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে একাদশ সাজানো হয়েছে। যেখানে জায়গা করে নিয়েছেন তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। এক নজরে দেখে নিন সেই একাদশটি-

১। তামিম ইকবাল- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৫৮.৩৬ গড়ে এবং ৮০ স্ট্রাইকরেটে মোট ১৮৯৩ রান করেছেন বাংলাদেশের এই ড্যাশিং ওপেনার। যার মধ্যে পাঁচটি সেঞ্চুরি রয়েছে তার।

২। রোহিত শর্মা- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৪৫টি ওয়ানডে ম্যাচে ৫৮ গড় এবং ৯৭ স্ট্রাইকরেটে মোট ২৩৭৪ রান করেছেন রোহিত। যেখানে ১০টি সেঞ্চুরি ও ৯টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে তার।

৩। বিরাট কোহলি- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৫০টি ওয়ানডে ম্যাচে ৮০ গড় এবং ৯৮ স্ট্রাইকরেটে মোট ৩০৫১ রান করেছেন ভারতীয় এই অধিনায়ক। যেখানে ১৩টি সেঞ্চুরি ও সমান সংখ্যক হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে তার।

৪। বাবর আজম- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৪১টি ওয়ানডে ম্যাচে ৫১ গড়ে মোট ১৭৮৯ রান করেছেন বাবর। যেখানে ৭টি সেঞ্চুরি ও সমান সংখ্যক হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে তার। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের সর্বাধিক রানের মালিক তিনি।

৫। সাকিব আল হাসান- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৩৮ ম্যাচ খেলে ৩৬ গড়ে ১০৭০ রান করেন সাকিব। বিশ্বকাপের পর তৃতীয় বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে হাজার রান করেন সাকিব। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বাধিক উইকেট শিকারি হিসাবে ছয়ের কম ইকনমিতে ৩৪টি উইকেট শিকার করেন সাকিব।

৬। মহেন্দ্র সিং ধোনি- একাদশে ধোনির সঙ্গে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল মুশফিকের। কিন্তু বেশি ম্যাচ খেলায় রানের দিক দিয়ে এগিয়ে ধোনি। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৫৬ ম্যাচে ৪৬ গড়ে মোট ১৪৬৮ রান করেছেন ধোনি। যার মধ্যে রয়েছে ১টি সেঞ্চুরি ও ৯টি হাফ সেঞ্চুরি।

৭। রশিদ খান- বর্তমান বিশ্বের সেরা লেগ স্পিনার রশিদ খান ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ১০০ জন ব্যাটসম্যানকে কুপোকাত করেছেন। সেই সঙ্গে তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার ১৮ রানে ৭ উইকেট।

৮। হাসান আলী- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৩০ ম্যাচ খেলে ছয়ের নিচে ইকনমিতে ৬২টি উইকেট শিকার করে এশিয়ার সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

৯। মুজিবুর রহমান- আফগানিস্তানের হয়ে মাত্র ১৫ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ১৫ ম্যাচে ৩৫টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই এশিয়ার সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন তিনি।

১০। মোস্তাফিজুর রহমান- বাংলাদেশ দলের অন্যতম এক ভরসার নাম মোস্তাফিজ। ক্যারিয়ারের শুরুতেই দুর্দান্ত সব কাটার স্লোয়ারে সবার নজর কাড়েন মোস্তাফিজ। এরই মধ্যে আইপিএল ও কাউন্টি খেলে ফেলেছেন তিনি। বাংলাদেশকে লম্বা সময় মোস্তাফিজ সার্ভিস দিবে বলেই বিশ্বাস অনেকের।

১১। জাসপ্রিত বুমরাহ- ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ৩৭ ম্যাচ খেলে ৬৪টি উইকেট শিকার করেছেন এই ভারতীয় পেসার। তার বিশেষত্ব হলো নতুন বল ও পুরনো বলে সমান কার্যকর এই পেসার। আর তাইতো ভারতের তিন ফরম্যাটেই বড় অস্ত্র হিসেবে পরিচিত বুমরাহ।

About myadmin

Check Also

এই গরুর ওজন ৫২ মন! বিক্রি করবেন কত টাকায় জানেন ?

রাজাবাবুর উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি। ৮ ফুট লম্বা। বুকের মাপ ১২ ফুট। ওজন প্রায় …